আপনজন ডেস্ক: জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে থেকে গঙ্গাসাগর মেলা। গঙ্গাসাগর মেলার জন্য কলকাতায় হচ্ছে না কলকাতা ডার্বি। ছয় মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ডার্বি স্থগিতের সিদ্ধান্ত ফুটবলের মক্কা কলকাতায়। তাও আবার নিরাপত্তার কারণে। ১১ জানুয়ারি মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ আপাতত হতে পারে অন্য শহরে।
কেন কলকাতায় হবে না বড় ম্যাচ
গঙ্গাসাগার মেলার জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। আর সেই কারণেই ১১ জানুয়ারি ডার্বি ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বাহিনী পাওয়া যাবে না। এমন কারণ দেখিয়েই আপাতত স্থগিত করে দেওয়া হল আইএসএল-এর ফিরতি ডার্বি।
ফলে ইস্টবেঙ্গর ও মোজনবাগানের সমর্তকরা তাকিয়ে রযেছেন ডার্বি কোথায় হবে। নিরআপত্তার কারণে যদি কলকাতায় ডার্বি না হয় তা হলে কি ডার্বি ান্য রাজ্যে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে? এই নিয়ে নানা মত সামনে উঠে আসছে। বিভিন্ন মহল থেকে নাান ধরনের মত প্রকাশ করছে। তবে, ডার্বি ম্যাচ কলকাতায় না হওয়ায় ক্ষুব্ধ মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্টও। ডুরান্ড কাপের ডার্বি স্থগিত হয়েছিল আরজি কর ইস্যুতে। সেই ম্যাচ অন্য কোথাও করা যায়নি। আর এবার গঙ্গাসাগর মেলায় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে হচ্ছে না আইএসএল ডার্বি। বাংলা ফুটবলের তো বটেই এশিয়ার সবথেকে বড় ম্যাচ। কলকাতার বাইরে।
বিন্তু কোতায় হতে পারেেএই বাতিল হওয়া ডার্বির ম্যাচ তা নিয়ে জল্পনা চলছে। মোহনবাগান সমর্থকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের হোম ডার্বির জন্য। আর সেই ম্যাচ হবে অন্য রাজ্যে। তাই সমর্থকদের কথা মাথায় রেখে মোহনবাগান ভুবনেশ্বর বা জামশেদপুরে ম্যাচ করার কথা ভাবছেন। যাতে সমর্থকরা সেই ম্যাচ দেখতে সহজেই যেতে পারেন। সে ব্যাপারে প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে । এমনটাই সূত্রের খবর। আইএসএল-এর সূচি ঘোষণা হয়েছে অনেকদিন আগেই। মোহনবাগানও তাদের সমস্ত হোম ম্যাচের জন্য স্টেডিয়াম ও পুলিশের কাছ থেকে অনুমতিও নিয়ে রেখেছে। তা হলে ম্যাচের মাত্র কয়েকদিন আগে নতুন করে জটিলতার কারণ কী?
অরূপ বিশ্বাস এ দিন জানিয়েছেন, নিরাপত্তার বিষয়টি তারা ২৫ দিন আগেই আয়োজকদের জানিয়েছেন। ফিরতি পর্বের ডার্বির আয়োজক মোহনবাগান। তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দিন দুয়েক আগে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের তরফেও ডার্বিতে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের কর্তা দেবব্রত (নীতু) সরকার বলেছেন, “এর আগে আমরাও গোয়ার বিরুদ্ধে একটি ম্যাচ ভুবনেশ্বরে খেলেছিলাম। এই ম্যাচের আয়োজক মোহনবাগান। ওরা ভুবনেশ্বরে ডার্বি আয়োজন করুক।” বিধাননগর পুলিশের থেকে চিঠি পাওয়ার খবর মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত স্বীকার করেছিলেন। তাঁরা জানিয়েছেন, এই ব্যাপারটি এফএসডিএলকে জানিয়েছেন তাঁরা।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct