চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায়, গঙ্গাসাগর, আপনজন: মেলার আগে মাটি ফেলে হারানো সমুদ্রতট উদ্ধারের চেষ্টা সাগরে।এক মাস বাদেই গঙ্গাসাগর মেলা। তার আগে তটের চেহারা ফেরাতে বিপুল পরিমাণ মাটি ফেলার কাজ শুরু।তবে বাইরে থেকে এই মাটি আনা কার্যত অসম্ভব।সেই জন্য সাগরদ্বীপের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি কেটে এনে তটে ফেলা হবে।জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য মোট ৩২০০ কিউবিক মেট্রিক টন মাটির প্রয়োজন।সাগরদ্বীপের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মজে যাওয়া খাল এবং অনাবাদী জমি থেকে মাটি কেটে আনা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা,প্রতি বছর যেভাবে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র তট ক্ষতির মুখে পড়ছে, তাতে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দরকার।বর্তমানে সাগরতটের অবস্থা দেখলে মনে হবে নামেই সমুদ্র সৈকত।সেখানে বালির কোনও অস্তিত্ব নেই।শুধুই কাদামাটি। তট পুনরুদ্ধার করতে প্রথমে গাড়ি গাড়ি মাটি ফেলা হবে। তারপর পরবর্তী কাজ শুরু করবে সেচদফতর।এই ডিসেম্বর মাসজুড়ে এই কাজ চলবে।মাটি ফেলা শেষ হলে তাঁর উপর ছড়ানো হবে বালি। কেন্দ্রীয় সরকার যদি আগে টাকা দিতো তাহলে সাগরতটের ভাঙন হয়তো আটকানো যেত বলে মনে করেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। তবে সামনে গঙ্গাসাগর মেলা রয়েছে সেই মেলার আগে কতটা তট রক্ষা করা যায় সেই দিকটি দেখা হচ্ছে বলে ও জানান মন্ত্রী।সাগরের মানুষ চান সরকার পাকাপাকি ভাবে সমুদ্রতট রক্ষা করুক।কারন এই গঙ্গাসাগরে সারা বছরই তীর্থযাত্রীরা আসে।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct