আপনজন ডেস্ক: এটি তো সৌহার্দ্যপূর্ণতা। দুই দেশের মানুষের মধ্যে শুভেচ্ছা আদান-প্রদান, সুখে-দুখে একে অপরের পাশে থাকার নাম ভাতৃত্ববোধ এবং উন্নয়ন ও মানবিকতাবোধ। ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ১৯৭১ সালে তারা আমাদের পাশে ছিল বলেই বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের জন্ম হয়েছে। যদিও নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে এটি একটি ইতিহাস। এ কারণে তারা ১৯৭১ সালকে সেভাবে গুরুত্ব না দিলেও দু দেশের মানূষ বিশেষ করে মানবীক গুনাবলী সম্পুন্ন প্রবীন, বৈয়জষ্ঠরা বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে উভয় দেশের মানূষের মাঝে মিস্টি বিতরণ করে। যারই ধারবাহিকতার বর্হিপ্রকাশ ঘটেছে বেনাপোল-পেট্রোপল বর্ডারের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে শুক্রবার ।হিন্দু ধর্মাম্ববলীদের প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজার ছিল অষ্টমী। নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ভারতীয় (আইসিপি) ইমিগ্রেশানের ওসি জয়ন্ত কুমার বিশ্বাস তাঁর লোকজনসহ ছুটে এলেন মিস্টি হাতে। বাংলাদেশের বিজিবি’র বেনাপোল চেকপোস্টের কমান্ডার সুবেদার মো: মামুন সিকদারের কাছে মিস্টি বিতরণের মাধ্যমে শুভেচছা বিনিময় করেন। উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগষ্ট ২০২৪ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্র-জনতার প্রতিবাদের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। ফলে দু দেশের মধ্যে শুরু হয় ঠান্ডা লড়াই। ভারত বাংলাদেশীদের আগে যে ভাবে ভিসা সুবিধা দিত সেটা বন্ধ করে দেয়। যে কারণে দু দেশের মধ্যে স্বাভাবিক ভাবেই যাত্রী পারাপার প্রায় শুন্যের কোঠায় নেমে আসে। দু দেশের মধ্যে সরাসরি বাস সার্ভিস চালু থাকলেও ট্রেন চলাচল সম্পুন্নরুপে বন্ধ রয়েছে। তবে ভারত কতদিনের মধ্যে পুনরায় ভিসা চালু করবে তা এখনও কেউ বলতে পারে না।
আলতাফ হোসেন বেনাপোলের একজন সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ী এই সংবাদদাতাকে বলেন, ”দু দেশের মধ্যে বানির্জিক সম্পর্ক যাতে ব্যাহত না হয় সে বিষয়টির প্রতি উভয় রাষ্টেরই সহনশীল এবং কুটনৈতিক ভাবে মিমাংসা করতে হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশের প্রধাানমন্ত্রী নেই। এখন নতুন সরকার। এখন সব কিছু নতুন ভাবেই হবে এ বিষয়টি ভারতকে মাথায় রাখতে হবে”।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct