চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায় , বারুইপুর আপনজন: আর জি কর কান্ডের মাঝেই বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালের ডিউটিরত এক চিকিৎসককে হুমকি দেয় জয়নগরের এক মহিলা তৃনমূল কংগ্রেসের কর্মী। আর এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁরা শনিবার হাসপাতালে এই সংক্রান্ত আইনের বোর্ড লাগালো। কোন ধারায় কী শাস্তি হতে পারে! হাসপাতালে গন্ডগোল হলে কি করা উচিত, তা জানাতে আইনের ধারা উল্লেখ করে বোর্ড লাগানো হলো এদিন বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। এতে হাসপাতালে আসা রোগীর পরিবার পরিজন তা দেখে নিজেরাই সচেতন হবে বলেই মনে করছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।হাসপাতালের মেল ওয়ার্ড থেকে ফিমেল ওয়ার্ড এমন কী এমারজেন্সি বিভাগেও বোর্ড লাগানো হয়েছে। তাতে একেবারে উল্লেখ করা হয়েছে হাসপাতালের কাজে বাঁধা দিলে ৩৫৩ ধারায় দুই বছর কারাদণ্ড হবে।চিকিৎসক, নার্স সহ কর্মীদের ভয় দেখালে ৫০৬ ধারায় ৩ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হবে।অকারনে হাসপাতালে ভিড় করলে ১৪১ ও ১৪৩ ধারায় ৬ মাস কারাদণ্ড হবে। চিকিৎসক, নার্স সহ অন্য কর্মীদের আঘাত করলে ৩৩২ ও ৩৩৩ ধারায় ৩ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।প্রসঙ্গত, হাসপাতালে পরপর চিকিৎসকদের নানা হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও পুলিস তৎপর হয়ে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছিল।
এদিকে, মঙ্গলবার হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসককে চাকরি খেয়ে নেবো বলে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত জয়নগরের তৃণমূল নেত্রী মুনমুন মোল্লাকে বুধবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করে।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct