সঞ্জীব মল্লিক, বাঁকুড়া, আপনজন: রেল দপ্তরের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন বাঁকুড়া-২ ব্লক এলাকার দ্বারকেশ্বর নদীর ভাদুল- সূর্পানগর রেল ব্রীজ দিয়ে। কারণ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত না করলে ওপারের ওন্দা ব্লক এলাকার অন্তত তিরিশটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে ধলডাঙ্গা মোড় দিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার ঘুরে বাঁকুড়া শহরে আসতে হবে। ফি বছর এই রেল ব্রীজে দূর্ঘটনা ঘটে। এখনো যেকোন সময় তা ঘটতে পারে- সে সব জেনে বুঝেও একমাত্র রুটি রুজির টানে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরের বাঁকুড়া শহরে এই রেল ব্রীজ দিয়েই যাতায়াত করতে ঐ এলাকার একটা বড় অংশের মানুষকে। ঐ তালিকা থেকে বাদ যাননি ওই এলাকার সাধারণ ছাত্র ছাত্রীরাও।
স্থানীয়দের দাবি, কজওয়ে তৈরীর সময়ই আমরা স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম, কিন্তু পরে সেতু তৈরীর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। উদ্বোধনের আগেই জলের তোড়ে ভেঙ্গে যায় নবনির্মিত কজওয়ে। প্রথম কয়েক বছর বর্ষার পর সংস্কার হলেও গত বছর থেকে আর সেটাও হয়নি। ফলে জীবন জীবিকার স্বার্থে বর্ষার দিন গুলিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রেল ব্রীজই একমাত্র ভরসা বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct