বিশেষ প্রতিবেদক, বর্ধমান, আপনজন: বর্ধমান শহর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা জুড়ে শীত পড়তে পড়তেই দামোদর নদী ,বাঁকা সাইফোন ও কাঞ্চননগর এর কিছু এলাকায় পরিযায়ী পাখিরা আস্তে শুরু করে,কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে হঠাৎই পাখিরা বর্ধমান শহর থেকে মুখ ঘুরাতে থাকে,প্রায় তখন থেকেই এই পরিযায়ী পাখির উপর কাজ করে চলেছেন কাঞ্চননগর ডি এন দাস স্কুলের প্রধান শিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দত্ত ও পরিবেশ প্রেমী অর্ণব দাস। তারা দেখেন পাখিদের মুখ ঘুরিয়ে নেয়ার সবথকে বড় কারন পাখি দের উপর নির্যাতন ও প্রচন্ড পরিমাণে শিকার ।দুই ব্যক্তি সচেতনতা মূলক প্রচার করে ২০১৯ সাল থেকে দেখা যায় পাখিরা আস্তে আস্তে আবার আসা শুরু করে এবং প্রচুর পরিমাণে । কিন্তু এরপরই আবারো পাখি দের উপর অত্যাচার শুরু হয়,,মাইক ও গ্রাসলান্ড এ আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় , ঠিক এর পর থেকেই পাখি গুলি এলাকা পরিবর্তন করে আমিরপুর,বরর্শুল ছেড়ে ইদিলপুর ও মানা তে থাকতে শুরু করে ।ওই এলাকার সাথে সাথে তারা খাদ্যাভ্যাস ও পরিবর্তন করে।শুধু মাত্র সচেতনতার জন্য পরিবেশের এই পাখিরা কাঞ্চননগর ও তার পার্শ্বব্তী এলাকা বাসস্থান শুরু করেন।
তার ফলাফল হিসেবে এবার ইদিলপুর ও বাঁকা সাইফণ এ পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমিয়েছে। শুধু পাখি না বন্য জন্তুও এক্ষণ বর্ধমানের বাঁকা সাইফোন নির্ভয়ে বংশবিস্তার শুরু করেছে।এই বিষয়ে জাতীয় শিক্ষক সুভাষ দত্ত ও অর্ণব দাস পরিযায়ী পাখি ও জীবজন্তুর স্থান পরিবর্তন ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আন্তর্জাতিক জার্নালে লেখা লিখি করেন। পরিযায়ী পাখি ও জীবজন্তু সঠিক পরিবেশ ,আবহাওয়া ও খাদ্য না পেলে সেই এলাকায় থাকতে পারে না।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct