নিজস্ব প্রতিবেদক, বর্ধমান, আপনজন: পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির উদ্যোগে বাঁকা নদীর পুনর্জীবনের লক্ষ্যে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে তার অঙ্গ হিসেবে সম্প্রতি পঃবঃবিজ্ঞান মঞ্চে’র একটি টিম গিয়েছিল বাঁকার উৎস সন্ধানে। জি টি রোডে পারাজ মোড় থেকে দক্ষিণে গলসী ১নং ব্লকের লোয়া-রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর-আটপাড়া ব্রীজ পার হয়েই ডাইনে লোয়া-সন্তোষপুর গ্রামের অভিমুখে,যেখানে ১৯৩২সালে আ্যান্ডারসন সাহেবের আমলে তৈরি(কথিত) বর্ষাকালে ভরা বাঁকার জল প্রবাহিত হবার জন্য আনুমানিক ২০ফুট উচ্চতা যুক্ত পাঁচ মুখো আর্চ সেতু’র(স্থানীয় নাম দরুনে পুল)নীচে থেকে শুরু হয় অভিযান। এই সেতুর উপর দিয়ে বয়ে গেছে রন্ডিয়া থেকে আগত পুরাতন ডি এম সি (দামোদর মেন ক্যানেল)।বাঁকা নদী পুষ্ট হয় বৃষ্টির জল এবং ডিভিসি ক্যানেলের জল থেকে। ভূমিক্ষয় প্রতিরোধ করার জন্য নিকটবর্তী জমির মালিকেরা এই শীর্ণ জলধারা ভরাটে সচেষ্ট। এখন যদি দু’পাড় বাঁধিয়ে দেওয়া হয় তাহলে জলের গতি ও পরিমাণ বাড়বে এবং ভূমিক্ষয় রোধ করা সম্ভব হবে। বাঁকা বাঁচানোর জন্য গতবছরে পঃবঃবিজ্ঞান মঞ্চে’র উদ্যোগে টাউন হল কনভেনশনে উপস্থিত থেকে বর্ধমান পৌরসভার পৌরপতি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং পঃবঃবিজ্ঞান মঞ্চে’র এই অভিযানের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এই অভিযানে ছিলেন ছিলেন ডঃ বিশ্বনাথ চক্রবর্তী,ডঃ বিশ্বজিৎ সেনগুপ্ত,দেবদুলাল রায়, নন্দকিশোর সাউ , সেলিম মন্ডল এবং বাঁকা বাঁচানোর জন্য স্বল্প দৈর্ঘ্যের চিত্র নির্মাতা শুভেচ্ছা সেনগুপ্ত।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct