আপনজন ডেস্ক: বিলকিস বানো মামলায় দোষী ১১ জনই সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনে গুজরাটের পাঁচমহল জেলার গোধরা সাব জেলে আত্মসমর্পণ করেছে। স্থানীয় ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর এনএল দেশাই জানিয়েছেন, রবিবার গভীর রাতে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে ১১ জন। তিনি বলেন, ‘২১ জানুয়ারি মধ্যরাতের আগেই তারা কারাগারে পৌঁছান, যা তাদের আত্মসমর্পণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল।গত ৮ জানুয়ারি শীর্ষ আদালত গুজরাট সরকারের দেওয়া ১১ জন দোষীকে দেওয়া মওকুফ খারিজ করে দেয়। ২০২২ সালে স্বাধীনতা দিবসে সময়ের আগে মুক্তি পাওয়া দোষীদের দুই সপ্তাহের মধ্যে কারাগারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার শীর্ষ আদালত দোষীদের আত্মসমর্পণের জন্য আরও সময় দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে এবং রবিবারের মধ্যে তাদের তা করতে বলেছে।এই ১১ জন দোষী হল বাকাভাই ভোহানিয়া, বিপিনচন্দ্র জোশী, কেশরভাই ভোহানিয়া, গোবিন্দ নাই, যশবন্ত নাই, মিতেশ ভাট, প্রদীপ মোর্ধিয়া, রাধেশ্যাম শাহ, রাজুভাই সোনি, রমেশ চন্দনা এবং শৈলেশ ভাট। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোধরায় ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর শুরু হওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে গিয়ে গণধর্ষণের সময় ২১ বছর বয়সী বিলকিস বানো পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। নিহত পরিবারের সাত সদস্যের মধ্যে তার তিন বছর বয়সী মেয়েও রয়েছে। ১৫ আগস্ট, ২০২২-এ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অংশ হিসাবে ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন এমন ১১ জন দোষীকে কারাগারে থাকাকালীন তাদের ‘ভাল আচরণের’ কথা উল্লেখ করে ১৯৯২ সালের নীতি অনুসারে তাদের ক্ষমা আবেদন গ্রহণ করার পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। ১১ জন দোষী দাহোদ জেলার সিংভাদ তালুকের সিংভাদ ও রন্ধিকপুর গ্রামের বাসিন্দা।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct