মোমিন আলি লস্কর, জয়নগর, আপনজন: কেন্দ্রীয় সরকার রিভ্যাস্পড ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিম(আর ডি এস) এসপ্রোজেক্ট ২০২১ অনুযায়ী ইলেকট্রিসিটি রুল ২০২২ ও রুল ২০২৩ জারি করে নির্দেশ দিয়েছে সমস্থ স্তরের বিদ্যুৎ গ্ৰাহকদের স্মার্ট প্রিপেড মিটার লাগাতে হবে এবং টইওডি((টাইম অব ডে)সিস্টেমে বিল করতে হবে। অল বেঙ্গল ইলেকট্রিকটি কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন পক্ষ থেকে স্মার্ট মিটার এবং ইলেট্রিকের বিলের বিভিন্ন চার্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার জয়নগর থানার অধীনে জয়নগর এক নম্বর ব্লকে জয়নগর ডিভিশনের অন্তর্গত দক্ষিণ বারাসত কাস্টমার কেয়ারের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। এ ব্যাপারে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান মোল্লা সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার অ্যাবেকা সহ-সভাপতি দিপেন্দু মুখ্যার্জী সহ ইন্ডাস্ট্রিয়াল কনজ্যুমারগন উপস্থিতে ইলেকট্রিক বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনায় বসেন। স্মার্ট মিটার যাতে বসানো না হয় তার জন্য গ্ৰাহকদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি জমা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। আলোচনা সাপেক্ষে মাহমুদুল হাসান মোল্লা বেলা ৩টা সময় স্মারকলিপি জমা দেন । জমা দেওয়ার পরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার অ্যাবেকার সহ-সভাপতি দিপেন্দু মুখ্যার্জী বলেন, বর্তমানে গ্ৰাহকদের বাড়িতে বসানো ডিজিটাল মিটার গুলো ভালো অস্থায় সুক্ষভাবে বিদ্যুৎতের খরচ পরিমান করতে পারা সত্ত্বেও সেগুলোকে ডাস্টবিনে ফেলে আবার কোটি কোটি টাকা খরচ করে স্মার্ট প্রিপেড মিটার লাগানোর কোন প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। কারণ এই মিটার বসানোর খরচ তুলতেৎ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গ্ৰাহকদের কাছে থেকেই আদায় করা হবে । অগ্নিম গ্ৰাহকদের কাছে থেকে টাকা দিয়ে সেই টাকাতেই বন্টন কোম্পানি ব্যবসা করবে,এটা অন্যায় ও অনৈতিক। স্মার্ট মিটার খারাপ হলে তা পরিবর্তন করা ও খারাপ মিটারের ভুতুড়ে বিল সংশোধন করা অসম্ভব। মিটার রিডার সহ শত শত কর্মচারী কাজ হারাবে। বিদ্যুৎ আইন ২০০৩ এর এর ৫৬ নং ধারা মতে গ্ৰাহকদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হলে কোম্পানিকে কমপক্ষে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হয়। এই স্মার্ট মিটারের টাকা শেষ হলে অটোমেটিক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হবে যা বিদ্যুৎ আইন ২০০৩ সস্মত নয় ।আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট (কৃত্রিম মেধা)বা উন্নত প্রযুক্তির সুপার কম্পিউটারের কন্ট্রোলে এই মিটার গুলো থাকবে যার মধ্যে দিয়ে গ্ৰাহকদের টাকা লুট করার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকবে। আর স্মার্ট মিটার বসানোর পর মিটার রিড়িং ম্যানের কোনো কাজ থাকবে না। এই মিটার লাগানো পর কয়েক হাজার রিড়িং ম্যানের কাজ হারাতে থাকবে। তাহাদের পরিবার গুলি আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্যে থেকে যাবে।অ্যাবেকা সহ-সভাপতি পক্ষ থেকে প্রথমে জয়নগর ডিভিশনের ১৯ দফা দাবি নিয়ে স্মারক লিপি জমা করেন। বিদ্যুৎ ভবনে ২৭ শে সেপ্টেম্বর ১৯ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করেন এবং স্মারকলিপি জমা করেন।বিদ্যুৎ ভবন থেকে বলা হয়েছে আপনাদের কে এ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে পরে জানিয়ে দেওয়া হবে এমনি আশ্বাস দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct