নিজস্ব প্রতিবেদক, হুগলি, আপনজন: জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটির অধীনে জিডি মনিটরিং কমিটি পরিচালিত এমকাট মিশন কমন এডমিশন টেস্ট সারা রাজ্যব্যাপী অনুষ্ঠিত হল রবিবার। হুগলির মাইনানের নাবাবিয়া মিশন ক্যাম্পাসেও ছিল পরীক্ষার সেন্টার ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের উপস্থিতি অনেকটাই ছিল বেশি। মিশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাহিদ আকবর জানান, ২০০৮ সাল থেকে এই ব্যবস্থাপনা চলে। দিন দিন শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে। তিনি জানান এর মূল ব্যবস্থাপনার পতাকা গোষ্ঠীর মোস্তাক হোসেন যিনি শিক্ষার সাথে সাথে মানবসেবা করে চলেছেন। তিনি আরও জানা, জিডি থেকে দুঃস্থ ছাত্রদের স্কলারশিপ সেই স্কলারশিপ পেয়ে কয়েক হাজার ছাত্র ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার ডব্লুবিসিএস আইপিএস সহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বিষয় সাথে সাথে বস্ত্রহীনদের বস্ত্র বিশেষ করে এই লকডাউনে বাংলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত সুন্দরবন পর্যন্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন বিভিন্ন প্রতিনিধিদের মধ্য দিয়ে। তার মধ্যে নবাবিয়া মিশন উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও রোগগ্রস্ত মানুষদের হাতে আর্থিক সাহায্য গৃহহীন মানুষের ঘর তৈরি মেয়ের বিবাহ ইত্যাদি কাজ। এই কাজ করে চলেছে জিডি চ্যারিটেবল সোসাইটি যার কর্ণধার পতাকা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেডের আলহাজ্ব মোস্তাক হোসেন। শেখ শাহিদ আকবার জানান এই কমন এডমিশন টেস্ট ছাড়াও এমকেডের অধীনে সমস্ত মিশন ম্যানেজমেন্ট কোঠায় নিজস্ব পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা করে থাকে। নাববিয়া মিশনের সেই ভর্তি পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ ই অক্টোবর রবিবার বেলা বারোটা থেকে মিশনারী শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নাবাবিয়া মিশনের সম্পাদকের দাবি, বাংলার মানুষের কাছে শিক্ষার সাথে সাথে সেবামূলক কাজের জন্য গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেকেই বাংলার গর্ব নাবাবিয়া মিশন বলে থাকেন। এই মশন থেকে রাজ্য ও রাজ্যের বাইরে প্রায় ৮০০ ছাত্রছাত্রী প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct