সারিউল ইসলাম, মুর্শিদাবাদ, আপনজন: ভাগীরথী নদীর পূর্বপাড়ের শিয়ালদা লালগোলা শাখা এবং পশ্চিমপাড়ের কাটোয়া আজিমগঞ্জ শাখা একসঙ্গে জুড়তে রেলবোর্ড ২০০১ সালের একুশে জুলাই ভাগীরথী নদীর উপর রেল ব্রিজ নির্মাণের জন্য অনুমোদন করে। ২০০৪ সালে ৩১শে ডিসেম্বর তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব শিলান্যাস করেন নসিপুর আজিমগঞ্জ রেল ব্রিজের। ২০১০ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে ট্রেন চলার কথা থাকলেও নদীর পশ্চিম পাড়ে মাহিনগর দিয়াড় এলাকায় জমি জটে থমকে যায় কাজ। দীর্ঘদিন থমকে থাকার পর গত বছর ২০২২ এর নভেম্বর মাসে নসিপুর আজিমগঞ্জ রেলব্রিজের বাকি কাজ শুরু হয়েছিলো। অবশেষে বর্তমানে নসিপুর রেল ব্রিজের অবশিষ্ট কাজ প্রায় শেষের দিকে। শনিবার মুর্শিদাবাদ রেল স্টেশন থেকে নসিপুর রেলব্রিজ পর্যন্ত মালগাড়ি চালানো হয়। মূলত, রেল লাইনের প্যানেল ব্রিজ পর্যন্ত নিয়ে আসে ওই মাল গাড়ি। ২৬০ মিটার লম্বা মোট ৪২ টি প্যানেল ফেলা হলো রেললাইনে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ প্রায় শেষ হয়ে যাবে।অবশেষে মাল গাড়ির চাকা গড়ানো দেখে আশার আলো দেখছে মুর্শিদাবাদ বাসি। ইতিমধ্যে কিছুদিন আগে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অমরপ্রকাশ দ্বিবেদী রেল ব্রিজ পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান, ‘আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ট্রেন চালু করে দেওয়া হবে যদিও ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ রেলওয়ে প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুর রউফ খান এর পুত্র বর্তমানে ওই সংগঠনের সম্পাদক শামসের খান বলেন, ‘১৯৯৩ থেকে বাবা স্বপ্ন দেখতেন নসিপুর রেল ব্রিজের যা আজ সফল হতে চলেছে, আমরা খুবই আনন্দিত।’
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct