আপনজন ডেস্ক: গ্রীষ্মকাল মানেই আমের সিজন।আম খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিকরও। আম ভিটামিন, ফাইবার, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। ওজন কমানো থেকে শুরু করে, হজমশক্তি বাড়াতে আমের ভূমিকা রয়েছে। তবে কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। অতিরক্তি আম খেলে গ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সংক্রমণ, নাক দিয়ে জল পড়া, হাঁচি, অ্যালার্জি ইত্যাদি হতে পারে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়াতে পারে। আমে কার্বোহাইড্রেটও থাকে। অতিরিক্ত আম খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে। অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে পেটে সংক্রমণ দেখা দিলে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন। প্রথমে বাজার থেকে আম আনার পর কমপক্ষে ২ ঘন্টা জলে আম ভিজিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই পদ্ধতি আমে থাকা কীটনাশকের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। আম খাওয়ার পর অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে তা খাওয়া বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অনেকে দুপুরের খাবার বা রাতের খাবারের পরই আম খান। এভাবে আম খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি যায়। এতে হজমেও সমস্যা হয়।আম মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এবং ফাইবারে পূর্ণ একটি ফল। এটি খাওয়া ভালো তবে সীমিত পরিমাণে। কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো হয় না।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct