আপনজন ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুল গান্ধির সাংসদ পদ কারিজ করা নিযে মুখ খোলার পর বসে নেই অন্য বিরোধী দলের নেতারও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার এমন পরিবেশ তৈরি করতে চায় যে দেশে কেবল একটি দল এবং একজন নেতা অবশিষ্ট রয়েছে। তারা চায় অন্য সব নেতা ও দল শেষ হয়ে যাক। একে বলা হয় একনায়কতন্ত্র।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আজকের সরকার ব্রিটিশ শাসনের চেয়েও বিপজ্জনক। এটা শুধু কংগ্রেসের লড়াই নয়। এটা দেশকে বাঁচানোর লড়াই। শিবসেনা (ইউবিটি) দলের প্রধান উদ্ধব ঠাকরে শুক্রবার রাহুলগান্ধীর অযোগ্য ঘোষণাকে গণতন্ত্রের ‘হত্যা’ বলে অভিহিত করে বলেন, এটি ‘একনায়কতন্ত্রের’ অবসানের শুরু। তিনি আরও বলেন, এটা গণতন্ত্রের হত্যা। সব সংস্থাই চাপের মধ্যে রয়েছে। এটা একনায়কতন্ত্রের অবসানের শুরু... শুধু এখন একটি দিকনির্দেশনায় যুদ্ধের প্রয়োজন। লালু যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মনোজ ঝা এই অযোগ্যতাকে “লজ্জাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক” বলে অভিহিত করেছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় কলঙ্ক আর কিছু হতে পারে না। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন রাহুলগান্ধীর অযোগ্য ঘোষণাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর সহিংস হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি গণতন্ত্রের ওপর বিজেপির আক্রমণের ‘সর্বশেষ অধ্যায়’। মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির সাংসদ দানিশ আলি রয়টার্সকে বলেন, মানহানির মামলায় যদি সাংসদরা তাদের সদস্যপদ হারান, তাহলে ৭০ শতাংশ সাংসদ তাঁদের সদস্যপদ হারাবেন।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct