নাজিম আক্তার, হরিশ্চন্দ্রপুর, আপনজন: হরিয়ানায় রহস্যমৃত্যু হল মালদা জেলার এক শ্রমিকের। তা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভক্তিপুর গ্রামে। জানা গেছে মৃত ওই যুবকের নাম মহম্মদ সাহিদ আব্বাস ওরফে রয়েল আলি (৩২)। বুধবার সকালে হরিয়ানার আমবালা এলাকার এক কক্ষ থেকে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে হরিয়ানা থানার পুলিশ। তবে পরিবারের অভিযোগ কেউ তাকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ওই মৃত যুবকের গোলায় কোনো কিছুর চিহ্ন দেখা না গেলেও মাথায় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। তিনদিন পর শুক্রবার ভিন রাজ্য থেকে যুবকের রহস্যময় কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল গ্রামের বাড়িতে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের লোকেরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মৃত ওই যুবকের নাম মহম্মদ সাহিদ আব্বাস ওরফে রয়েল আলি(৩২)।বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভক্তিপুর গ্রামে।প্রায় মাস খানেক আগে স্থানীয় এক ঠিকাদারের মারফতে ভিন রাজ্য হরিয়ানার আমবালা এলাকায় বিল্ডিং নির্মাণ মুন্সীর কাজ করতে যায়।বুধবার সকালে আমবালা এলাকার এক কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।তবে যুবকের গলায় কোনোকিছুর চিহ্ন দেখা না গেলেও কপালে ও মুখে একাধিক ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।এতে পরিবারের লোকেদের অনুমান তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে খুন করা হয়েছে।মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসলেই আসল সত্য জানা যাবে বলে জানান আম্বালা থানার পুলিশ।
আরো জানা যায়, রয়েল আলি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই বিল্ডিং নির্মাণ লাইনে ফোরম্যান হিসেবে কাজ করতো। মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে অর্ধেক ঘন্টা কথা বলেন রয়েল। এরপর বুধবার সকালে যুবকের রহস্যঘেরা মৃত্যুর খবর শুনতে পাই পরিবারের লোকেরা। স্থানীয় ঠিকাদারের মারফতে জানতে পারেন কোমরের বেল্ট দিয়ে জানালার রোডের সঙ্গে নিজেকে পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে রয়েল। তবে তার পরিবার আত্মহত্যার কথা মানতে নারাজ। কেউ বা কারা তাকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছে।রয়েলের পরিবারে এক নাবালক ছেলে ও এক নাবালিকা মেয়ে রয়েছে।কিভাবে তাদেরকে লালনপালন করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্ত্রী রুনা পারভিন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে,প্রায় একমাস আগে হরিয়ানার আমবালা তে স্থানীয় এক ঠিকাদারের মারফতে ভবন নির্মাণে ফোরম্যান এর কাজ করতে যায়।সেখানে নির্মল সিং নামে এক ঠিকাদারের কাছে কাজ করছিল।দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে সে এই লাইনেই রয়েছে।মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে অর্ধেক ঘন্টা কথা বলেন সে।পরের দিন সকালে স্থানীয় ঠিকাদারের ফোন মারফতে রয়েলের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।জানতে পারেন রয়েল কোমরের বেল্ট দিয়ে জানালার রোডের সঙ্গে পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।তবে তার পরিবার আত্মহত্যার কথা মানতে নারাজ। কেউ বা কারা তাকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছে।এই খবর পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকেরা। রয়েলের এক নাবালক ছেলে ও এক নাবালিকা মেয়ে রয়েছে। কিভাবে তাদেরকে লালনপালন করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্ত্রী রুনা পারভিন। পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ ও পরিবারের লোকেরা।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct