নিজস্ব প্রতিনিধি, আপনজন: তীব্র আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রথম থেকেই সভা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । তাঁর নিশানায় ছিল, বিজেপি-কেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বাম এবং কংগ্রেসও রেহাই পায়নি তৃণমূল সুপ্রিমোর নিশানা থেকে। এদিন নাম না করেও তিনি তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দিকে।সোমবারে সাগরদিঘির সভা থেকে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য’। তারপরেই বলেন, কোনও একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দলের জন্য কাজ করার জন্য। তৃণমূলের কে শক্তিশালী দেখে, তিনি তাঁর বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল করে বলেই শুধু হেনস্থা। এরপরেই তৃণমূল চেয়ারপার্সনের অভিযোগ, আয়নায় আগে নিজের মুখ দেখুন। বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তল্লাশি করান। এদিনের সভা থেকে তিনি বুঝিয়ে দেন তিনি নিজে এবং দল জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের পাশে আছে। দাবি করেন, ‘ষড়যন্ত্র’ করা হয়েছে। বলেন, ওই টাকা ছিল কুড়ি হাজার বিড়ি শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার জন্য। তাঁর প্রশ্ন, কটা শ্রমিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে যে ব্যাঙ্কে টাকা দেওয়া হবে? মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘জাকির সেফ অ্যান্ড সেভ। ওরা ওদেরটা বুঝে নেবে’। উল্লেখ্য, একসময়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিশ্বস্ত সেনাপতি ছিলেন শুভেন্দু । দায়িত্ব পেয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের পর্যবেক্ষকের। সেই মুর্শিদাবাদে দাঁড়িয়েই নাম না করে শুভেন্দুকে বিঁধলেন তিনি। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন জাকির নিজেও।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct