আপনজন ডেস্ক: সবাই চান তাদের সন্তানটা যেন সুস্থভাবে পৃথিবীতে আসে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নবজাতক পৃথিবীর আলো দেখুক সব মহিলা চান। যদিও বাস্তবে বেশিরভাগ থেকে নর্ম্যাল ডেলিভারি হয় না। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর জন্ম হয়। এখন প্রশ্ন, নর্ম্যাল ডেলিভারি চাইলে করণীয় কী? সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন এক ফার্টিলিটি কনসালট্যান্ট ও গাইনোকোলজিস্ট। তার মতে, প্রেগনেন্সি হতে হবে পূর্ব পরিকল্পিত। এক্ষেত্রে জটিলতা কম হয়। সবকিছু নিয়ন্ত্রিত থাকে। গর্ভধারণের তিন মাস আগে থেকে গাইনোকোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হয়। এ সময় তার শারীরিক অবস্থা জানা যায়, গর্ভধারণের কোনো জটিলতা আছে কিনা সেগুলো নির্ণয় করা হয় এবং চিকিৎসাও দেওয়া যায়। ফলে গর্ভধারণের জটিলতাগুলো এড়ানো সম্ভব হয়। সঠিক বয়সে গর্ভধারণ । মেয়েদের গর্ভধারণের উপযুক্ত বয়স হচ্ছে ২০ থেকে ৩৫ বছর। এ সময় জটিলতা কম হয় এবং নর্ম্যাল ডেলিভারি সহজ হয়। উপযুক্ত উচ্চতা এবং ওজন নর্ম্যাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সঠিক বিএমআই থাকলে নর্ম্যাল ডেলিভারি সহজ হয়। নিয়মিত এন্টিনেটাল চেকআপে রোগীর ওজন, প্রেসার, হিমোগ্লোবিন, ব্লাড সুগার, বাচ্চার মুভমেন্ট, বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি-সবকিছু দেখা যায়। এর ফলে কোথাও কোনো ব্যাথায় হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া যায়। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, ইয়োগা ও ব্রিদিং এক্সারসাইজের মাধ্যমে নিজেকে ফিট রাখা জরুরি। ফলে গর্ভবতীরা লেবার পেইনের তীব্রতাকে সহ্য করতে পারে। পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে শরীরের শক্তি সঞ্চয় করে রাখা জরুরি। বিশেষ করে হিমোগ্লোবিন সঠিক পরিমাণে রাখা এবং প্রাণশক্তি বজায় রাখা নর্ম্যাল ডেলিভারির জন্য প্রয়োজন।
All Rights Reserved © Copyright 2025 | Design & Developed by Webguys Direct